
লোড হচ্ছে...
নতুন যাত্রা শুরু করুন
নিজেকে জমি জমার কাগজপত্র ও মাপজোখ বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে ময়নামতি সার্ভে কুমিল্লা এর কোর্সগুলোই যথেষ্ট।
ময়নামতি সার্ভে টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট — আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গড়তে সহায়তা করে।
আপনার সুবিধামতো সময়ে কোর্স সম্পন্ন করুন
প্রয়োজনে যেকোনো সময় সহায়তা পান
ময়নামতি সার্ভে বাংলাদেশের একটি সুনামধন্য প্রতিষ্টিত আমিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ময়নামতি সার্ভে সারাদেশে আমিন প্রশিক্ষণ দিয়ে একটি দক্ষ আমিনদল তৈরি করেছেন। যারা সারাদেশে দক্ষতার সাথে মানুষের জমি জমার সমস্যার সমাধান করছেন। বর্তমানেও আধুনিক পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নামমাত্র মূল্যে আমাদের কোর্স গুলো করে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ।
আমাদের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন, দক্ষ প্রশিক্ষকের মাধ্যমে পাঠদান করা হয়।
অত্যন্ত গুছিয়ে শিক্ষার্থীদের উপযোগী করে প্রতিটি বিষয় শেখানো হয়।
আমাদের রয়েছে সাপোর্ট গ্রুপ যাতে সকল শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে।
নিবন্ধিত শিক্ষার্থী
মোট কোর্স
বিশেষজ্ঞ শিক্ষক
পুরস্কার জিতেছে
আমাদের বিস্তৃত অনলাইন কোর্স লাইব্রেরি থেকে আপনার পছন্দের বিষয়ে শিখুন।
বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের সাথে ইন্টারেক্টিভ লাইভ ক্লাসে অংশগ্রহণ করুন।
কোর্স সম্পন্ন করার পর আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেট পান।
২৪/৭ বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের কাছ থেকে সহায়তা এবং গাইডেন্স পান।
ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং এবং জব প্লেসমেন্ট সহায়তা পান।
কোর্স কেনার পর আজীবন অ্যাক্সেস পান এবং যেকোনো সময় রিভিশন করুন।
সরকারি আমিনশীপ সার্টিফিকেট নিতে জানুয়ারি, এপ্রিল, জুলাই, অক্টোবর মাসে ৩/৬ মাস মেয়াদি ট্রেড কোর্সের জন্য রেজিষ্ট্রেশন করে পরবর্তী ৩/৬ মাস পর পরিক্ষা দিয়ে সার্টিফিকেট নিতে পারবেন।
এই পেশাদার সার্টিফিকেটটি উন্নত দক্ষতা অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রদান করা হয়। এটি কর্মক্ষেত্রে পেশাদার স্বীকৃতি পেতে সহায়তা করে।
কুমিল্লা ময়নামতি সার্ভে (আমিন) টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট একটি সুনামধন্য ঐতিহ্যবাহী আমিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ ৫০ বছরেও অধিক সময় ধরে সমগ্র বাংলাদেশে বেসরকারি ভাবে ৩/৬ মাস মেয়াদী ভ্র্যাম্যমান আমিন ট্রেনিং কোর্স পরিচালনা করে আসছে। অত্র ট্রেনিং এর মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রাম গঞ্জে আমিন/সার্ভেয়ার পেশার মাধ্যমে এক বিশাল জনগোষ্টির কর্মসংস্থান গড়ে তুলেছে।
এর পাশাপাশি সর্বসাধারনের জমি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করে আপামর জনতার সাহায্যে এগিয়ে এসেছে। সময়ের সাথে ও সময়ের দাবি পুরনের লক্ষে দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি ভাবে পরিচালনা করার পর ছাত্রছাত্রীদের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে এবং সরকারী চাকরীর চাহিদা পুরনের লক্ষে অত্র প্রতিষ্ঠান কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে প্রায় দেড়যুগ ধরে কাজ করছে।
কুমিল্লা ময়নামতি সার্ভে টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর ৯ম পরিচালক জনাব মোঃ মাসুদ আলম প্রতিষ্ঠানটিকে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের আওতাধীন করেন এবং সুনামের সাথে পরিচালনা করছেন। তার হাত ধরে কুমিল্লা ময়নামতি সার্ভে টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট সমগ্র বাংলাদেশে বিস্তার লাভ করেছে। এবং তার অনুমতিক্রমে ময়নামতি সার্ভে এর সিনিয়র প্রশিক্ষক জনাব আতিকুল ইসলাম সাহেব অনলাইন কার্যক্রমের মাধ্যমে সকলশ্রেণীর মানুষের জন্য এই জ্ঞানটিকে আয়ত্বকরা আরোও সহজ করে তুলেছেন।

ময়নামতি সার্ভে টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট, কুমিল্লা

















































১. জরিপের সময় মালিকের অনুপস্থিতি: জরিপের সময় প্রকৃত মালিক আপত্তি না জানালে জমি “খাস” হিসেবে রেকর্ড হতে পারে। ২. পুরনো রেকর্ডের অস্পষ্টতা: পুরনো খতিয়ান বা দাগ নম্বরের মিল না থাকলে জমি “অপরিচিত মালিকানা” হিসেবে সরকারি নামে যায়। ৩. খাজনা পরিশোধ না করা: বহু বছর ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) বা রাজস্ব না দিলে সরকার সেটি খাস হিসেবে ঘোষণা করতে পারে। ৪. প্রশাসনিক ভুল: মাঠ জরিপের ত্রুটি বা ভুল রিপোর্টের কারণে জমি খাস হিসেবে রেকর্ড হতে পারে। ৫. দলিল বা প্রমাণ হারিয়ে যাওয়া: মালিকানা প্রমাণ করার দলিল, খাজনার রশিদ ইত্যাদি অনুপস্থিত থাকলে জমি খাস তালিকায় পড়ে যেতে পারে। ৬. সরকারি প্রকল্প, উন্নয়ন বা জনস্বার্থে অধিগ্রহণ: অনেক সময় সরকার জনস্বার্থে (রাস্তা, বিদ্যালয়, জলাশয়, সরকারি অফিস, ইত্যাদি) কোনো এলাকা অধিগ্রহণ করে। এর ফলে দখলীয় জমিও খাস খতিয়ানে স্থানান্তরিত হয়। ৭. সিকস্তি পয়স্তির কারণে : (সিকস্তি অর্থাৎ নদীতে বিলিন হয়ে যাওয়া জমি ও পয়স্তি অর্থাৎ নদীতে ভেঙ্গে গিয়ে পুনরায় চর জেগে উত্থিত হওয়া জমি।) খাস খতিয়ান ভুক্ত হতে পারে। ৮. বর্তমান আইন অনুযায়ী ৬০ বিঘার বেশি জমি থাকলে অতিরিক্ত জমি গুলো খাস খতিয়ানে অন্তর্ভূক্ত হতে পারে।

বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থায় প্রায়ই দেখা যায়, কোনো জমির দখল (বাস্তবে যে জায়গায় কেউ বসবাস বা চাষাবাদ করছে) ও রেকর্ড (সরকারি খতিয়ানে যে দাগ বা নম্বরের অধীনে জমি দেখানো আছে) এক নয়। অর্থাৎ একজন ব্যক্তি বাস্তবে এক দাগে জমি ব্যবহার করছেন, কিন্তু সরকারি নথিতে তার নামে জমি রেকর্ড হয়েছে অন্য দাগে। এই পরিস্থিতিকেই বলা হয় “দখল ও রেকর্ডের অমিল” বা “ভুল দাগে রেকর্ড”। দখল মানে হচ্ছে বাস্তবে কার অধীনে জমিটি রয়েছে, কে সেটি ব্যবহার করছে বা তাতে বসবাস করছে। অপরদিকে রেকর্ড মানে হলো সরকার কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ভূমি খতিয়ান বা জরিপে যার নামে জমি নথিভুক্ত রয়েছে। সহজভাবে বললে, কেউ যদি ১২৩ দাগের জমি কেনেন, কিন্তু বাস্তবে ঘর তৈরি করেছেন বা চাষ করছেন ১২৪ দাগে, তাহলে তার দখল এক দাগে (১২৪) এবং রেকর্ড অন্য দাগে (১২৩) - এই পার্থক্যই অনেক বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করে। এই ধরনের সমস্যা সাধারণত হয়ঃ * জরিপের সময় মাপজোখের ভুল। * দলিলে ভুল দাগ নম্বর লেখা। * পূর্বপুরুষদের মধ্যে জমি বিনিময় হয়ে যাওয়ায় রেকর্ড হালনাগাদ না হওয়া। * ভুলভাবে অন্য দাগে জমি বুঝিয়ে দেওয়া। এ সমস্যা সমাধানের জন্য প্রথমে ভূমি অফিস থেকে আপনার খতিয়ান ও দাগ নম্বর যাচাই করতে হবে। তারপর একজন সনদধারী অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সার্ভেয়ার বা আমিনের মাধ্যমে মাঠে নকশা অনুযায়ী মাপজোখ করিয়ে নিশ্চিত হতে হবে আপনি বাস্তবে কোন দাগে আছেন। মাপজোখ রিপোর্টে দখল ও রেকর্ডের পার্থক্য স্পষ্টভাবে দেখা যাবে। যদি দেখা যায় রেকর্ড ভুল হয়েছে, তাহলে জরিপ চলাকালিন সময় হলে সেটেলমেন্ট অফিসে, আর গেজেট হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালে মামলা করতে হবে, আর যদি ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালে মামলার নির্দিষ্ট সময় শেষ হয়ে যায় , এবং কোন সমাধান না পাওয়া যায়, তাহলে সিভিল কোর্টে “রিভিশন মামলা” ( Section 147 of the State Acquisition and Tenancy Act অনুযায়ী) করা যায়। আদালত সার্ভে রিপোর্ট, দলিল ও সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সঠিক দাগে মালিকানা নির্ধারণ করবেন।

বাংলাদেশ সরকারের গেজেট ও ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩ ( Act No. 31 of 2023 ) অনুযায়ী যে সব ক্ষেত্রে ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের প্রয়োজন নেই, সেগুলো পরিষ্কারভাবে নিচে দেওয়া হলো:- গেজেট অনুযায়ী ভূমি উন্নয়ন কর থেকে অব্যাহতি পাওয়া জমির ধরন ঃ- ১. ক্ষুদ্র কৃষকের কৃষিজমি পরিবারভিত্তিক মালিকানাধীন কৃষিজমির মোট আয়তন ৮.২৫ একর (প্রায় ২৫ বিঘা) বা তার কম হলে এবং তা সম্পূর্ণ কৃষিকাজে ব্যবহৃত হলে কোনো ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হয় না। ২. কৃষি-উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত পুকুর কৃষিকাজের স্বার্থে রাখা পুকুর (যেমন: সেচের পানি সংগ্রহ বা ছোট আকারের গৃহস্থালি মাছ চাষ) করমুক্ত থাকে। তবে বাণিজ্যিক/বড় আকারের মাছ চাষ এর আওতায় পড়বে না। ৩. ধর্মীয় উপাসনালয় ও সংলগ্ন জমি মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা বা অন্য যে কোনো স্বীকৃত ধর্মীয় উপাসনালয়ের জমি এবং তার অপরিহার্য প্রাঙ্গণ করমুক্ত। ৪. কবরস্থান ও শ্মশানভূমি সরকারি বা অনুমোদিত বেসরকারি কবরস্থান ও শ্মশানভূমি সাধারণত কর থেকে অব্যাহতি পায়। ৫. সরকারি মালিকানাধীন ও রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যবহৃত জমি সরকারি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, সড়ক-মহাসড়ক, সরকারি প্রকল্পের জন্য ব্যবহৃত জমি করের বাইরে। ৬. বন ও সংরক্ষিত প্রাকৃতিক এলাকা বন অধিদপ্তর বা সরকার ঘোষিত সংরক্ষিত বনাঞ্চল, বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং সরকারি জলাভূমি করমুক্ত। ৭. দাতব্য বা জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের জমি (অ-বাণিজ্যিক) সরকার অনুমোদিত অনাথআশ্রম, দাতব্য হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি যদি সম্পূর্ণ অ-বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার হয়, তবে কর থেকে ছাড় পায়। ৮. বিশেষ গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ঘোষিত জমি বা শ্রেণি আইন অনুযায়ী সরকার গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা নির্দিষ্ট এলাকার জমিকে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে করমুক্ত ঘোষণা করতে পারে।

একবারনামা বা ফেরত পাট্টা দলিল এমন একটি চুক্তিপত্র, যেখানে বলা থাকে নির্দিষ্ট সময় বা শর্ত পূরণের পর জমিটি পুনরায় মূল মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া হবে। অর্থাৎ, এই দলিলের মাধ্যমে জমি সাময়িকভাবে দেওয়া হয়, স্থায়ীভাবে নয়। যেমন: কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে জমি ব্যবহার করতে দেন এবং শর্ত থাকে যে নির্দিষ্ট সময় পর সেই জমি ফেরত দিতে হবে, তবে সেই চুক্তি একবারনামা বা ফেরত পাট্টা নামে পরিচিত। ১৯৫০ সালের “রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন” প্রবর্তনের পর (বিশেষ করে ৯৫(ক) ধারা অনুসারে) এই ধরনের দলিলের প্রচলন বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে এ ধরনের দলিল তৈরি হলে তা খাই-খালাসি বন্ধক ( usufructuary mortgage ) হিসেবে গণ্য হয়। অর্থাৎ, এটি একধরনের বন্ধক দলিল যেখানে ব্যবহারাধিকার সাময়িকভাবে দেওয়া হয়, কিন্তু মালিকানা স্থানান্তর হয় না। মূল কথা হলো: একবারনামা দলিল স্থায়ী হস্তান্তর নয়, বরং সাময়িক ব্যবহার ও পরবর্তীতে ফেরতের শর্তযুক্ত চুক্তি।
আপনার ক্রয় করা কোর্সটি সহজভাবে সম্পন্ন করার জন্য আমাদের এন্ড্রোয়েড মোবাইল এপটি ডাউনলোড করে নিন। তাহলে বারবার ওয়েবসাইট খুজে বের করার প্রয়োজন হবে না। ঝটপট এপ খোলে ক্লাস দেখা শুরু করতে পারবেন।